

DHMS
ভিডিওতে ডাক্তারের পরিচিতি
ডা. আয়েশা সিদ্দিকা নিজের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বলছেন

ডাক্তার সম্পর্কে
দাঁত-মাড়ির ব্যথা, মুখে ঘা ও দুর্গন্ধে মাদার টিংচার ও হোমিও ওষুধে বিনা যন্ত্রণায় চিকিৎসা করেন।

ডা. আয়েশা সিদ্দিকাযাচাইকৃত
৯ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ৯ মে ১৯৯২
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-10822
ঢাকা হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে ডিপ্লোমা
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. আয়েশা সিদ্দিকা-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।
নির্বাচিত ডাক্তারDHMS
ভিডিওতে ডাক্তারের পরিচিতি
ডা. আয়েশা সিদ্দিকা নিজের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বলছেন
ডাক্তার সম্পর্কে
দাঁত-মাড়ির ব্যথা, মুখে ঘা ও দুর্গন্ধে মাদার টিংচার ও হোমিও ওষুধে বিনা যন্ত্রণায় চিকিৎসা করেন।

ডা. আয়েশা সিদ্দিকাযাচাইকৃত
৯ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ৯ মে ১৯৯২
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-10822
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবন
ঢাকা হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে ডিপ্লোমা
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
এই ডাক্তার যেসব হোমিওপ্যাথিক সেবা দেন
এই রোগগুলোর চিকিৎসায় অভিজ্ঞ — ক্লিক করে একই রোগের আরও ডাক্তার দেখুন
ভেষজ মাদার টিংচার দিয়ে সহায়ক চিকিৎসা।
জ্বর, সর্দি, কাশির মতো হঠাৎ অসুখে দ্রুত চিকিৎসা।
বারোটি টিস্যু সল্ট দিয়ে শরীরের ঘাটতি পূরণ।
চেম্বারের ঠিকানা, ফি ও সাপ্তাহিক বসার সময়
ভিজিটের আগে যা জানা দরকার
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. আয়েশা সিদ্দিকা-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।
রিভিউ দেন কেবল সেসব রোগী, যাঁরা এই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন।
যাচাইকৃত রোগী
বাতের ব্যথায় অনেক উপকার পেয়েছি। ওষুধ খাওয়ার নিয়ম লিখে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
যাচাইকৃত রোগী
অভিজ্ঞ ডাক্তার, তবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে।
যাচাইকৃত রোগী
রিপোর্টগুলো পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, অপ্রয়োজনীয় কোনো পরীক্ষা করাতে বলেননি।



রোগীর শরীর-মন ও স্বভাব মিলিয়ে একটি মূল ওষুধ বাছাই।