

DHMS
ডাক্তার সম্পর্কে
শিশু ও স্কুলগামী বাচ্চাদের হাঁপানি এবং ঘন ঘন সর্দি-জ্বরে হোমিও চিকিৎসা করেন।

ডা. আশরাফুল আলম

৮ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ১৪ মার্চ ১৯৯৩
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-11781
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে ডিপ্লোমা
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
ওষুধ খাওয়ার আগে-পরে অন্তত ১৫–৩০ মিনিট কিছু না খাওয়া এবং কাঁচা পেঁয়াজ, কর্পূর বা তীব্র গন্ধযুক্ত জিনিস এড়িয়ে চলা ভালো।
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. আশরাফুল আলম-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।

DHMS
ডাক্তার সম্পর্কে
শিশু ও স্কুলগামী বাচ্চাদের হাঁপানি এবং ঘন ঘন সর্দি-জ্বরে হোমিও চিকিৎসা করেন।

ডা. আশরাফুল আলমযাচাইকৃত
৮ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ১৪ মার্চ ১৯৯৩
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-11781
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবন
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে ডিপ্লোমা
ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
এই ডাক্তার যেসব হোমিওপ্যাথিক সেবা দেন
এই রোগগুলোর চিকিৎসায় অভিজ্ঞ — ক্লিক করে একই রোগের আরও ডাক্তার দেখুন
শিশুদের ঠান্ডা, দাঁত ওঠা ও হজমের সমস্যায় কোমল চিকিৎসা।
হাঁপানি, অ্যালার্জিক কাশি ও শ্বাসকষ্টে সহায়তা।
চেম্বারের ঠিকানা, ফি ও সাপ্তাহিক বসার সময়
ভিজিটের আগে যা জানা দরকার
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
ওষুধ খাওয়ার আগে-পরে অন্তত ১৫–৩০ মিনিট কিছু না খাওয়া এবং কাঁচা পেঁয়াজ, কর্পূর বা তীব্র গন্ধযুক্ত জিনিস এড়িয়ে চলা ভালো।
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. আশরাফুল আলম-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।
রিভিউ দেন কেবল সেসব রোগী, যাঁরা এই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এখনো কোনো লেখা রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন।



জ্বর, সর্দি, কাশির মতো হঠাৎ অসুখে দ্রুত চিকিৎসা।