

BHMS
ডাক্তার সম্পর্কে
শিশুদের দাঁত ওঠার কষ্ট, মাড়ির প্রদাহ ও চোয়ালের ব্যথায় কোমল হোমিও ওষুধ দেন।

ডা. রেজাউল করিম

১৩ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ২ ডিসে ১৯৮৮
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-10959
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে স্নাতক
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
ওষুধ খাওয়ার আগে-পরে অন্তত ১৫–৩০ মিনিট কিছু না খাওয়া এবং কাঁচা পেঁয়াজ, কর্পূর বা তীব্র গন্ধযুক্ত জিনিস এড়িয়ে চলা ভালো।
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. রেজাউল করিম-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।

BHMS
ডাক্তার সম্পর্কে
শিশুদের দাঁত ওঠার কষ্ট, মাড়ির প্রদাহ ও চোয়ালের ব্যথায় কোমল হোমিও ওষুধ দেন।

ডা. রেজাউল করিমযাচাইকৃত
১৩ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক
লিঙ্গ
বয়স
জন্ম ২ ডিসে ১৯৮৮
যে ভাষায় কথা বলেন
ডিগ্রি
হোমিওপ্যাথি বোর্ড নিবন্ধন
HB-10959
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মজীবন
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ও সার্জারিতে স্নাতক
সরকারি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি মেডিকেল কলেজ, ঢাকা
এই ডাক্তার যেসব হোমিওপ্যাথিক সেবা দেন
এই রোগগুলোর চিকিৎসায় অভিজ্ঞ — ক্লিক করে একই রোগের আরও ডাক্তার দেখুন
শিশুদের ঠান্ডা, দাঁত ওঠা ও হজমের সমস্যায় কোমল চিকিৎসা।
জ্বর, সর্দি, কাশির মতো হঠাৎ অসুখে দ্রুত চিকিৎসা।
বারোটি টিস্যু সল্ট দিয়ে শরীরের ঘাটতি পূরণ।
চলমান চিকিৎসার অগ্রগতি দেখে ওষুধ ও মাত্রা সমন্বয়।
চেম্বারের ঠিকানা, ফি ও সাপ্তাহিক বসার সময়
ভিজিটের আগে যা জানা দরকার
আগে থেকে গুছিয়ে আনলে চিকিৎসক দ্রুত ও সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন
রোগীরা প্রায়ই যা জানতে চান
তীব্র রোগে কয়েক দিনেই উন্নতি দেখা যায়; দীর্ঘমেয়াদি রোগে কয়েক মাস ধরে নিয়মিত ফলো-আপ প্রয়োজন হতে পারে।
সঠিক মাত্রা ও পোটেন্সিতে নিলে সাধারণত উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। তবুও নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
ওষুধ খাওয়ার আগে-পরে অন্তত ১৫–৩০ মিনিট কিছু না খাওয়া এবং কাঁচা পেঁয়াজ, কর্পূর বা তীব্র গন্ধযুক্ত জিনিস এড়িয়ে চলা ভালো।
চলমান সব ওষুধের কথা প্রথম ভিজিটে জানান। প্রয়োজনে কোনটি চলবে, কোনটি বন্ধ হবে — তা চিকিৎসক ঠিক করে দেবেন।
আরও প্রশ্ন আছে?
ডা. রেজাউল করিম-এর চিকিৎসা বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন।
রিভিউ দেন কেবল সেসব রোগী, যাঁরা এই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এখনো কোনো লেখা রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন।


